Skip to content

পদার্থের ভৌত ধর্ম কাকে বলে? | ভৌত ধর্ম গুলির উল্লেখ করো

পদার্থের ভৌত ধর্ম

প্রিয় পাঠকগণ, আমাদের এই অধ্যায়ে আমরা আলোচনা করবো পদার্থের অবস্থা সম্পর্কে। আমরা সবাই জানি পদার্থের সাধারণত দুটি ধর্ম বর্তমান। একটি হল ভৌতধর্ম এবং অপরটি হলো রাসায়নিক ধর্ম। আমাদের এই পোস্টটি তে আমরা জনবো পদার্থের ভৌত ধর্ম সম্পর্কে। জানবো পদার্থের ভৌত ধর্ম কি?,

পদার্থের ধর্ম ( Properties of matters ) কাকে বলে ? এটি কয়প্রকার ও কী কী ?

প্রতিটি পদার্থের কতকগুলি নিজস্ব বিশেষ গুণ বা বৈশিষ্ট্য বর্তমান, যাদের সাহায্যে একটি পদার্থকে আর একটি পদার্থ থেকে আলাদা করে চেনা যায় । পদার্থের এই গুণ বা বৈশিষ্ট্যগুলিকে ওই পদার্থের ধর্ম বলা হয়। এটি দু-প্রকার।
যথা— (i) ভৌতধর্ম ও (ii) রাসায়নিক ধর্ম।

পদার্থের ভৌত ধর্ম ( Physical properties ) কাকে বলে? পদার্থের কয়েকটি ভৌতধর্ম এর উল্লেখ করো।

আরও পড়ুন:

 

পদার্থের ভৌত ধর্ম কাকে বলে?

ভৌত ধর্ম (Physical properties): কোনো পদার্থের যেসব ধর্মের সাহায্যে শুধুমাত্র পদার্থের বাহ্যিক অবস্থার ও প্রকৃতির পরিচয় পাওয়া যায়, কিন্তু অভ্যন্তরীণ অণুর গঠনের পরিচয় পাওয়া যায় না, সেই সব ধর্মকে পদার্থের ভৌত ধর্ম বলে। যেমন—ভৌত অবস্থা, বর্ণ, গন্ধ, স্পর্শ, গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক, চৌম্বক ধর্ম, দ্রাব্যতা ইত্যাদি। পদার্থের ভৌত ধর্ম গুলি কি কি ইত্যাদি।

ভৌত অবস্থা : সাধারণ উয়তায় সব পদার্থ একই অবস্থায় থাকে না। কোনোটি কঠিন , কোনোটি তরল , আবার কোনোটি গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে। যেমন— বরফ ( কঠিন ) , জল ( তরল ) এবং অক্সিজেন ( গ্যাসীয় )।

বর্ণ : কতকগুলি পদার্থের নিজস্ব বর্ণ আছে , যা দেখে অনেক সময় তাদের চেনা যায়। যেমন — সোনা উজ্জ্বল হলুদ , কয়লা কালো।

গন্ধ : কিছু পদার্থের নিজস্ব গন্ধ আছে। যেমন — কর্পূর, ন্যাপথলিনের নিজস্ব গন্ধ আছে।

স্পর্শ : অনেক সময় হাত দিয়ে স্পর্শ করে পদার্থটি চেনা যায়। যেমন — গ্লিসারিন চটচটে , গ্রাফাইট পিচ্ছিল ইত্যাদি।

গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক : সমস্ত বিশুদ্ধ কঠিন পদার্থের নিজস্ব গলনাঙ্ক আছে এবং বিশুদ্ধ তরলের নির্দিষ্ট স্ফুটনাঙ্ক আছে। যেমন — বরফের গলনাঙ্ক 0 ° C , জলের স্ফুটনাঙ্ক 100 ° C।

চৌম্বক ধর্ম : কিছু কিছু পদার্থ চুম্বকের দ্বারা আকৃষ্ট হয় এবং বিশেষ উপায়ে এগুলিকে চুম্বকে পরিণত করা যায়। যেমন— লোহা, নিকেল, কোবাল্ট। আবার সোনা, রুপো, তামা প্রভৃতি চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না।

দ্রাব্যতা : বিভিন্ন পদার্থের দ্রাব্যতা বিভিন্ন দ্রাবকে বিভিন্ন হয়। যেমন — চিনি , নুন জলে দ্রাব্য , কিন্তু চকের গুঁড়ো জলে দ্রাব্য নয়।

আশা করি পাঠকেরা নিশ্চয় বুঝেছেন পদার্থের ভৌতধর্ম কি?, আমাদের পোস্ট টি ভালো লাগলে অবশ্যই comment korte ভুলবেন না। আমাদের blog a লেখার জন্য যোগাযোগ করুন [email protected] এই ইমেল।

Covered Topics:- ভৌতধর্ম কাকে বলে উদাহরণ দাও, পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম কাকে বলে, মৌলের ভৌতধর্ম কাকে বলে, পদার্থের ভৌতধর্ম গুলি কি কি?

Share this

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram

Related Posts

Comment us

2 thoughts on “পদার্থের ভৌত ধর্ম কাকে বলে? | ভৌত ধর্ম গুলির উল্লেখ করো”

  1. Pingback: রাসায়নিক ধর্ম (Chemical properties) কাকে বলে – Studious

  2. Pingback: রাসায়নিক বিক্রিয়া কাকে বলে, রাসায়নিক বিক্রিয়ার কারণ ও বৈশিষ্ট্য – Studious

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Facebook Page