Skip to content

ভারতের রাষ্ট্রপতির ভেটো ক্ষমতা | Veto Power of President of India

আমরা এই পোস্ট টি যেটা আলোচনা করতে চলেছি সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন দেখা গছে। আমাদের আলোচ্য বিষয়টি হলো ভারতের রাষ্ট্রপতি ভেটো ক্ষমতা (veto power of president of India), আমরা জানবো রাষ্ট্রপতির ভেটো ক্ষমতা কত রকমের হয়, তাদের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা।

ভেটো ক্ষমতা বলতে কি বোঝায়?

ভেটো ক্ষমতা হচ্ছে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, দেশের মনোনীত প্রতিনিধি কর্তৃক কোন সিদ্ধান্ত বা আইনের স্থগিত আদেশ।

ভারতের মনোনীত প্রতিনিধি রাষ্ট্রপতির ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করার ক্ষমতা আছে।

ভারতের রাষ্ট্রপতির ভেটো ক্ষমতা

সংসদে পাস করা একটি বিল শুধুমাত্র রাষ্ট্রপতির সম্মতি পেলেই আইনে পরিণত হতে পারে। এ ধরনের একটি বিল উপস্থাপন করা হলে, রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য, তার কাছে তিনটি বিকল্প রয়েছে (সংবিধানের 111 নং অনুচ্ছেদের অধীনে)

1. তিনি বিলটিতে সম্মতি দিতে পারেন,

2. তিনি বিলটিতে সম্মতি রোধ করতে পারেন,

3. তিনি বিলটি ফেরত দিতে পারেন (যদি এটি একটি অর্থ বিল নয়) সংসদের পুনর্বিবেচনার জন্য। যাইহোক, যদি বিলটি সংসদে সংশোধন সহ বা ছাড়াই আবার পাস করা হয় এবং রাষ্ট্রপতির কাছে আবার উপস্থাপন করা হয়, তবে রাষ্ট্রপতিকে বিলটিতে সম্মতি বাধ্য হবেন।

ভারতের রাষ্ট্রপতির ভেটো ক্ষমতা কত প্রকার??

ভারতের রাষ্ট্রপতি সংসদে পাস হওয়া বিলের বিষয়ে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করার অধিকারী। তিনি তিন ধরনের ভেটো প্রয়োগ করতে পারেন–

i) চরম ভেটো (Absolute Veto)

ii) মধ্যকালীন বা নিলম্বন ভেটো (Suspense Veto)

iii) পকেট ভেটো ( Pocket Veto)

চরম ভেটো কি? (Absolute Veto)

রাষ্ট্রপতি বিলে অসম্মতি জ্ঞাপন করতে পারেন। সাধারণত কেবলমাত্র বেসরকারি সদস্যদের বিলেই এই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়। সরকারি বিলের ক্ষেত্রে এমন অবস্থা কল্পনা করা যেতে পারে সেখানে একটা বিল সংসদে গৃহীত করার পর ও রাষ্ট্রপতির সম্মতি প্রদানের আগে মন্ত্রীসভা ইস্তফা দিল এবং নতুন গঠিত মন্ত্রীসভা রাষ্ট্রপতিকে উক্ত বিলের বিরুদ্ধে ভেটো প্রয়োগ করার পরামর্শ দিল।

1954 সালে ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ চরম ভেটোর প্রয়োগ PEPSU APPROPRIATION BILL এ করেন।

1991 সালে দ্বিতীয় বার ভারতীয় রাষ্ট্রপতি আর. ভেঙ্কাটারমন এই ভেটোর প্রয়োগ করেন।

মধ্যকালীন বা নিলম্বন ভেটো কি? (Suspense Veto)

এটি তখনই প্রয়োগ করা যায় যখন বিলে সম্মতি প্রদান করার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি সমগ্র বিলটি বা তার একটি অংশ পুনর্বিবেচনার জন্য প্রেরণ করেন এবং এর পর যদি সংসদ তা আবার প্রেরণ করে তাহলে রাষ্ট্রপতির তা গ্রহণ করা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। সুতরাং এই ভেটো হল একটি মধ্যকালীন ভেটো।

পকেট ভেটো কি? (Pocket Veto)

রাষ্ট্রপতিকে কতদিনের মধ্যে বিলে সম্মতি দিতে হবে বা অসম্মতি জ্ঞাপন করতে হবে বা ফেরত দিতে হবে, সংবিধানে সে ব্যাপারে কোনো সময়সীমা ধার্য করা হয় নি। সুতরাং রাষ্ট্রপতি এই ভেটো প্রয়োগ করে অনির্দিষ্টকাল কোনো বিল আটকে দিতে পারেন। কিন্তু মন্ত্রীসভা শক্তিশালী হলে রাষ্ট্রপতির পক্ষে এটা করা সম্ভব নয়।

১৯৮৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জ্ঞানী জৈল সিং পোস্টাল বিল – এর ক্ষেত্রে পকেট ভেটো প্রয়োগ করেছিলেন।

আরও পড়ুন:-


 

Share this

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram

Related Posts

Comment us

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Facebook Page